মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পদ্মার পানি বৃদ্ধিতে বাঘার চরাঞ্চল প্লাবিত, আতঙ্কে ১৫ চরের মানুষ​ সংবাদের পিছনে অবিরাম ছুটে চলা সাংবাদিক ছোটন সাহা সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত স্ত্রীকে হত্যার ঘটনার দায়েরকৃত মামলার ২১ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদন্ড রায় মেঘনা নদীর জমি ভরাট করে শিল্পকারখানা, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে তোলপাড় বিশেষ শিশুদের কল্যাণে নিবেদিত কাজের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন ইয়াশা সোবহান নাটোরের লালপুরে নারীকে ধর্ষণচেষ্টা, বাধা দেওয়ায় ভাগ্নেকে কুপিয়ে জখম ভোলার মনপুরায় ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, আসামী কিশোর গ্রেপ্তার নাটোরের লালপুরে পদ্মা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, একজনকে ৭ দিনের কারাদণ্ড​ নাটোরে দয়ারামপুর থিয়েটারের উদ্যোগে প্রদর্শিত হলো মঞ্চ নাটক ‘স্বামীর চিতা জ্বলছে’ নাটোরের লালপুরে ট্রাকের ধাক্কায় আহত পথচারীর রাজশাহী মেডিকেলে মৃত্যু​

মধ্যরাত থেকে শুরু হচ্ছে ভোলার মেঘনা-তেতুলীয়া নদীতে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১০২ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঝাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মধ্যরাত থেকে শুরু হচ্ছে মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞাা। ১মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল টানা দুই মাস ভোলার মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় সকল ধরনের জাল ফেলা ও মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন সরকার।
এ সময়ে নদীর অভয়াশ্রম গুলোতে আসা ইলিশের পোনা অর্থাৎ ঝাটকা ইলিশ বড় হওয়ার পাশাপাশি অন্য প্রজাতির মাছ ডিম ছাড়া শুরু করে। তাই টানা দুই মাস নদীর অভয়াশ্রম গুলোতে সকল ধরনের জাল ফেলা মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

এদিকে দুই মাসে নিষেধাজ্ঞায় এরই মধ্যে সকল জেলেরা নদী থেকে তুলে নিয়েছেন তাদের জাল সাভার। কিন্তু দীর্ঘ এই সময়টিতে বেকার জীবন যাপনে তাদের কপালে যেন দেখা দিয়েছে চিন্তার ভাজ। যদিও এই সময়ের জন্য জেলে পুর্ণবাসনের জন্য চাল বরাদ্দ দেয়া হলেও সে চাল সটিক সময়ে সবার ভাগ্যে জুটেনা। তাই নিষেধাজ্ঞার সময়কালে জেলেদের মাঝে পুনর্বাসনের চাল পাওয়ার পাশাপাশি এনজিও কিস্তি বন্ধ রাখার দাবী জেলেদের।

জেলেরা জানান, গত মৌসুমে পুরো সময় জুড়ে ইলিশ সংকট থাকায় এ বছরের শুরুটা ভালো যায়নি ভোলার জেলেদের। নদীতে ইলিশ শূন্যতায় বার বার আর্থিকভাবে ধাক্কা খেতে হয়েছে তাদের। এমন সংকটের মধ্যে আবার চলে আসছে ইলিশ ধরায় দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা। এতে কর্মহীন হয়ে চরম অভাব অনাটনে পড়েছেন জেলেরা।

জেলে আঃ রহিম, ইলিয়াস ও মাইনুদ্দিন জানান, ২ মাসের নিষেধাজ্ঞা মানতে গেলে আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে। কারন, জেলে পেশা এবং মাছ ধরার উপর আমাদের জীবিকা। কিভাবে নিষেধাজ্ঞা সময় কাটাবো সে চিন্তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছি।

এদিকে, জেলেদের অনেকেই এনজিও থেকে ঋন আর ধারদেনা করে জাল নৌকা গড়েছেন তবে  নিষেধাজ্ঞাকালিন সময় জেলে পুর্নবাসনের জন্য চাল বরাদ্দ হলে সে চাল পৌছায়না অনেকে ভাগ্যে। তাই এনজিও কিস্তি পরিষোধ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তাগ্রস্ত তারা। এমন বাস্তবতায় কিস্তি বন্ধ রাখার পাশাপাশি দ্রুত পুর্ণ বাসনের চাল বিতরণের দাবী তাদের।

জেলে মাইনুদ্দিন ও সবুজ বলেন, দুই মাসের জন্য কিস্তি তোলা বন্ধ রাখা হলে  আমাদের জন্য অনেক ভালো হতো, সরকারের কাছে জেলেদের কথা বিবেচনা করা হয় এবং দ্রুত বরাদ্দকৃত চাল বিতরণ করা হয়।

মৎস্য আড়ৎদার সাহাবুদ্দিন বলেন, মাছ ধরা বন্ধ থাকার খবরে জেলে পাড়ায় তৈরী হয়েছে সংকট। শুধু জেলে নয়, একই অবস্থা মাছ ব্যবসায়ী ও আড়ৎদারদের।

এদিকে নিষেধাজ্ঞা বান্তবায়নে ভোলার বিভিন্ন মৎস্যঘাটে জেলেদের নিয়ে সচেতনতা সভা করেছে মৎস্যবিভাগ।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, নিষেধাজ্ঞা সময়ে এনজিও বিস্তি বন্ধ রাখার বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত আসেনি, তবে বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে যারা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করবেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

উল্লেখ্য, ভোলায় নিবন্ধনকৃত জেলে রয়েছে ১ লাখ ৬৭ হাজার।  এর বাহিরেও অনিবন্ধিত জেলের প্রায় দুই লাখের মতো।

এইচ এম জাকির

ভোলা

তাং-২৭-২-২৬

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews