মৃত চৈতি পুলিশ কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন ফকিরের মেয়ে। সে মাসুমা খানম স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগের এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী হিসেবে রীতিমতো পরীক্ষা দিয়ে আসছেন। গ্রামের বাড়ি বরিশালের গৌরনদীতে হলেও দীর্ঘ ১০ বছর যাবত তার বাবা-মায়ের সাথেই অফিসার পাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় সে বসবাস করতেন।
পুলিশ জানায়, সোমবার সকালে চৈতি পাঙাশ মাছ খাওয়ার বায়না করে তার মা’কে বাজারে পাঠান। বাজার থেকে তার মা ঘরে আসতে দেখতে পান চৈতির রুমের দরজা বন্ধ রয়েছে। কোন ধরনের সারাশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দেখতে পান ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মেহের নিথর মরদেহ। এরপর তিনি ডাক চিৎকার দিলে স্থানীয়রা ছুটে এসে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চৈতির মরদেহ উদ্ধার করেন।
চৈতির মা সোনিয়া বেগম বলেন, গতকাল রোববার চৈতির পরীক্ষা ছিলো। পরীক্ষা শেষে বাড়িতে এসে জানায় তার পরীক্ষা ভালো হয়নি। এতে মেয়েটি মানসিকভাবে ভেঙে পরলে কোনভাবেই তার মন খারাপের বিষয়টি বাড়ির কাউকেই বুজতে দেয়নি। তাতে করে মনে হচ্ছে পরীক্ষা খারাপ হওয়ার কারণে সে আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে ভোলা সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মনিরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই ধারণা করা হচ্ছে মনে হচ্ছে। যদিও এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোন ধরনের অভিযোগ না থাকায় মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে জানান তিনি।