এইচ এম জাকিরঃ আজও ভোলা জেলায় প্রবেশ করেছে দেড় লাখ লিটার জ্বালানি তেল। এরপরও তেলের পাম্প গুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারী। কোন পম্পেই নেই ২৪ ঘন্টা সার্ভিস। আবার নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়ে অধিকাংশ পম্পে চব্বিশ ঘন্টা সার্ভিস বন্ধ রেখেছে। দেশের মধ্যে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি ও সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই দীর্ঘদিন যাবত একটি চক্র উঠেপড়ে লেগে আছে। এর জন্য প্রশাসনের পাশাপাশি সরকারদলীয় নেতাকর্মীদেরপ উচিত মাঠে কাজ করা। প্রতিটি তেলের পাম্প সহ ডিলার পর্যায়ে যারা রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারীর পাশাপাশি কঠোর ব্যবস্থা নেয়া।
যেখানে তেলের কোন সংকট নেই সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেয়া সত্ত্বেও কেনইবা এতো হাহাকার। তাই ভোলাতে প্রতিদিন যে পরিমাণ তেল আসে তার একটি নমুনা আজকে দিয়ে রাখলাম। এবার ব্যবস্থা নিবে জনগণ……
১/ মিয়াজী স্টোর ১৫ হাজার লিটার ডিজেল
২/ তুবা এন্টারপ্রাইজ ৫ হাজার লিটার পেট্রোল, ১৩ হাজার লিটার ডিজেল।
৩/ ফুলবাগিচা স্টোর ৩০০০ লিটার পেট্রোল ৯০০০ লিটার ডিজেল।
৪/ সোহাগী স্টোর ৫০০০ লিটার পেট্রোল ১০ হাজার লিটার ডিজেল।
৫/এ রহমান এন্ড সন্স, সাড়ে ৪ হাজার লিটার অকটেন, সাড়ে ৪ হাজার লিটার ডিজেল।
৬/ শাহবাজপুর ফুয়েল স্টেশন ৯০০০ লিটার ডিজেল।
৭/ ব্রাদার্স ফুয়েল স্টেশন ৫ হাজার লিটার পেট্রোল, ১৩ হাজার লিটার ডিজেল।
৮/ সৌদিয়া ফিলিং স্টেশন ৪ হাজার লিটার পেট্রোল ১১ হাজার লিটার ডিজেল।
৯/ শামসুদ্দিন এন্ড ব্রাদার্স, সাড়ে ৪ হাজার লিটার পেট্রোল, ৮ হাজার লিটার ডিজেল।
১০/ মাহবুব ষ্টোর, ১৫ হাজার লিটার ডিজেল।
১১/ মাশা-আল্লাহ ফিলিং স্টেশন, ৩ হাজার লিটার পেট্রোল ৩ হাজার লিটার অকটেন ৬০০০ লিটার ডিজেল।