সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নাটোরের লালপুরে নারীকে ধর্ষণচেষ্টা, বাধা দেওয়ায় ভাগ্নেকে কুপিয়ে জখম ভোলার মনপুরায় ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, আসামী কিশোর গ্রেপ্তার নাটোরের লালপুরে পদ্মা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, একজনকে ৭ দিনের কারাদণ্ড​ নাটোরে দয়ারামপুর থিয়েটারের উদ্যোগে প্রদর্শিত হলো মঞ্চ নাটক ‘স্বামীর চিতা জ্বলছে’ নাটোরের লালপুরে ট্রাকের ধাক্কায় আহত পথচারীর রাজশাহী মেডিকেলে মৃত্যু​ নাটোরের লালপুরে পাট কাটার পর ইরি-বোরো রোপণের ধুম: শ্রমিক ও পাওয়ার টিলার সংকটে কৃষকরা​ সরকারের দেয়া প্রস্তাবিত ভোলা–মেহেন্দিগঞ্জ–হিজলা মহাসড়ক নির্মাণ নিয়ে ভোলায় অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত  লালপুরে সার বিতরণে অনিয়ম, ডিলারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা​ ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের রোডম্যাপ দ্রুত কার্যকরের দাবী Software de Trading: La Elección Definitiva para Inversores en España

ভোলার দৌলতখানে যৌতুকের নেশায় গৃহবধুকে পিটিয়ে হত্যা

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬
  • ৮৮ বার পড়া হয়েছে

দৌলতখান প্রতিনিধিঃ ভোলার দৌলতখানে যৌতুকের নেশায় ফিমা আক্তার (২২) নামের এক ‍গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুড় বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) রাতে উপজেলার চর খলিফা ইউনিয়নের কলাকোপা গ্রামের মিঠু হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ফিমা আক্তার পাশের উপজেলা বোরানউদ্দিনের গঙ্গাপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবুল কালামের মেয়ে। পারিবারিক ভাবে তিন বছর আগে সজিবের সাথে তার বিয়ে হয়। তাদের ঘরে দেড় বছর বয়সী এক কন্যা সন্তানও রয়েছে।

নিহতের মা তাছনুর বেগম জানান, তার মেয়ে ফিমা আক্তারের স্বামী মো. সজিব দেড় বছর আগে একটি মোটরসাইকেল দাবি করেন। টাকার অভাবে মোটরসাইকেল তারা দিতে পারেননি। মোটরসাইকেল না পেয়ে সজিব প্রায়ই ফিমাকে মারধর করতো। এ নিয়ে কয়েকবার স্থানীয়ভাবে শালিশ বৈঠক হয়েছে। ঈদের তিনদিন আগেও এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়।

ওই ঘটনার জেরে বৃহস্পতবার রাতে তাকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ করেন তিনি।

ফিমার ভাই মো. শিপনের অভিযোগ, পিটিয়ে হত্যার পর লাশ মেঝেতে ফেলে তারা (সজিব ও তার পরিবারের লোকজন) পালিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, ঈদের দিনে এশার নামাজের পর ফিমা তার মা ও বোনের সাথে কথা বলেছেন তখনও সুস্থ ছিল। কিন্তু রাত ৪টায় ফিমা অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতাল নেয়ার কথা জানায়। কি অসুখ জানতে চাইলে গলায় ফাঁস দেয়ার কথা বলে। সকালে এসে দেখতে পান সজিবের ঘরের মেঝেতে মরদেহ পড়ে আছে। ঘরে কেউ নাই।

এদিকে জরুরি সেবা ৯৯৯ এ খবর পেয়ে শুক্রবার (৩০) সকালে দৌলতখান থানা পুলিশে এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।

দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফকরুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘরে কাউকে পায়নি। মেঝেতে পড়ে থাকা নিহতের নাক দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। তদন্ত অব্যাহত আছে। পুলিশ আইনি ব্যবস্থা নিবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews