চরফ্যাশনে পরীক্ষাকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় ১০০ জনের বিরুদ্ধে দায়ের মামলা
প্রকাশিত:
রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ভোলার চরফ্যাশনে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদেরকে নকল করতে না দেয়ায় পরীক্ষাকেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
শনিবার (১১ জুলাই) দিবাগত রাতে ফাতেমা মতিন মহিলা মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব মো. মহিউদ্দিন বাদী হয়ে চরফ্যাশন থানায় এ মামলা করেন।
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এ ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ দেখে দোষীদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, চরফ্যাশন ফাতেমা মতিন মহিলা মহাবিদ্যালয় কেন্দ্রটিতে চলমান এইচএসসি পরীক্ষায় চরফ্যাশন সরকারি কলেজের ৮৮৪ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
গত শনিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) পরীক্ষা শুরু হলে কেন্দ্রের প্রতিটি কক্ষে এমসিকিউ প্রশ্ন সরবরাহ করা হয়। এমসিকিউ পরীক্ষা শেষ হওয়ার এক পর্যায়ে কেন্দ্রটির ৩০৪ নম্বর কক্ষে পরীক্ষার্থীরা দাবি করেন, তাদের প্রশ্ন কমন পড়েনি।
এরপর থেকে শিক্ষার্থীরা নকল করার চেষ্টা করলে কক্ষে দায়িত্বরত শিক্ষকরা নকলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন। তবে নকল করার সুযোগের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
মূলত এর পরপরই পরীক্ষার্থীরা কক্ষের শিক্ষকদের সঙ্গে নানান অসৌজন্যমূলক আচরণ শুরু করেন। পরে পরীক্ষা শেষে হলে একদল শিক্ষার্থী একযোগ হয়ে ১টা ৫ মিনিটের দিকে কলেজের পকেট গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে হামলা ও ভাঙচুর চালান। এ সময় তারা পরীক্ষার উত্তরপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তাদের ছোড়া ইটপাটকেলের আঘাতে কলেজে পরীক্ষা কক্ষে দায়িত্ব পালন করা ৭ জন শিক্ষকসহ কলেজটির গভর্নিং কমিটির সভাপতিও আহত হন। পরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং দুই রাউন্ড টিয়ারশেল ছোড়ে পুলিশ।
চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহামুদ আল-ফরিদ ভূঁইয়া বলেন, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ফাতেমা মতিন মহিলা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বাদী হয়ে শতাধিক অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম শুরু করেছি। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।