এসময় বক্তারা বলেন, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এই এলাকার মানুষ ভাঙা ও মাটির রাস্তা দিয়ে চরম দুর্ভোগের মধ্যে চলাচল করছেন। বর্ষা মৌসুমে সড়কটি কাদামাটি ও পানিতে কৃষি জমির মতো হয়ে চলাচলের জন্য একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।
বক্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ চলাচল করেন। একই সাথে বিভিন্ন শিক্ষার প্রতিষ্ঠানের বিশেষ করে মাদ্রাসা, স্কুল, মসজিদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিনেও সড়কটি সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়ায় সকল শিক্ষার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের পাশাপাশি স্থানীয়দের যাতায়াতের চরম বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সিরাজ ও আনোয়ার উল্লাহ জানান, অধিকাংশ সময়েই ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। তারা ছাড়া বর্ষায় রাস্তার বিভিন্ন অংশ কাদা হয়ে গাড়িঘোড়ার চাকা আটকে যায়। কোন কোন যানবাহন রেখে দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে মালামাল নিয়ে পাড়ি দিতে হয়।
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান বলেন, দক্ষিণ জয়নগর আহম্মেদের হাট আলিম মাদ্রাসায় বর্তমানে প্রায় ৬ থেকে ৭০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। প্রতিনিয়ত কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি ও দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে যাতায়াত করছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে পাকা রাস্তা নির্মাণের দাবি জানান তিনি।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিমের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে দ্রুত সড়কটি সংস্কার ও পাকাকরণের ব্যবস্থা নেওয়া হোক।