জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক এম. মাকসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ডা. শামীম রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার, পিপিএম (বার), উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা,মোঃ আরিফুজ্জামান, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই আল-হাদী, জেলা তথ্য অফিসার মোঃ শাহ আব্দুর রহিম নুরন্নবী,সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক তার বক্তব্যে বলেন, ভোটারদেরকে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে বিভিন্ন উপকারিতা তুলে ধরে তারা বলেন, হ্যাঁ ভোটের মাধ্যমে পাওয়া যাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন গঠনে সরকারি দল ও বিরোধী দল একত্রে কাজ করবে।
সরকারি দল ইচ্ছে মতন সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না। এবং সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান চালু হবে। একই ভাবে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে উপকারী আরো আটটি বিষয় তুলে ধরেন।
এ ছাড়া আগামী নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন বক্তারা আরো বলেন, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে হলে সবাইকে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ থাকতে হবে। ভোটের গুরুত্ব সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবহিত করা ইমামদের নৈতিক দায়িত্ব।
তারা আরও বলেন, অতীতে বিনা ভোটের নির্বাচন দেশের মানুষ দেখেছে। এবার সে ধরনের নির্বাচন আর হতে দেওয়া যাবে না। এজন্য সবাইকে সচেতন ও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।