শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নাটোরের লালপুরে পাট কাটার পর ইরি-বোরো রোপণের ধুম: শ্রমিক ও পাওয়ার টিলার সংকটে কৃষকরা​ সরকারের দেয়া প্রস্তাবিত ভোলা–মেহেন্দিগঞ্জ–হিজলা মহাসড়ক নির্মাণ নিয়ে ভোলায় অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত  লালপুরে সার বিতরণে অনিয়ম, ডিলারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা​ ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের রোডম্যাপ দ্রুত কার্যকরের দাবী Software de Trading: La Elección Definitiva para Inversores en España দৌলতখানে ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ লালপুরে স্যালোচালিত ট্রলির ধাক্কায় ইজিবাইক চালক নিহত, চালক আটক​ ভোলার লালমোহনে শুল্ক ফাঁকি দেয়া বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিগারেট জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড সড়কপথে যুক্ত হচ্ছে ভোলা, মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত দিলেন প্রধানমন্ত্রী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন পার্থ, তার নির্বাচনী এলাকায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ

নাটোরের লালপুরে পাট কাটার পর ইরি-বোরো রোপণের ধুম: শ্রমিক ও পাওয়ার টিলার সংকটে কৃষকরা​

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আইয়ুব আলী, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধিঃ পাট কাটার পরেই নাটোরের লালপুর উপজেলায় পুরোদমে শুরু হয়েছে ইরি-বোরো ধান রোপণের কাজ। জমি প্রস্তুত, বীজতলা থেকে চারা তোলা, সেচ ও চারা রোপণে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন উপজেলার কৃষকরা। তবে এ বছর কৃষি উপকরণের দাম, সেচ খরচ, পাওয়ার টিলারের ভাড়া এবং শ্রমিক সংকট ও বাড়তি মজুরির কারণে চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন তারা।​

সরেজমিনে আড়বাব গ্রামের কৃষক হাসেম আলী, নওদাপাড়া গ্রামের আঃ রশিদ, দুয়ারিয়া গ্রামের নজরুল ইসলাম এবং দুড়দুড়িয়া গ্রামের সাদেকসহ একাধিক কৃষকের সাথে কথা বলে জানা যায়, চলতি মৌসুমে শ্রমিক সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। গত বছর যেখানে দিনে শ্রমিকদের মজুরি ছিল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, সেখানে এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়। চড়া মজুরি দিয়েও প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমিক মিলছে না। বাধ্য হয়ে অনেক কৃষক পরিবারের সদস্যদের সাথে নিয়ে নিজেরাই জমিতে ধান রোপণের কাজ করছেন।

​অন্যদিকে, জমিতে হাল চাষে ব্যবহৃত পাওয়ার টিলারের মালিকরাও ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন। গত বছর প্রতি ২০ শতাংশ জমিতে হাল চাষের খরচ ছিল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, যা এবার ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় ঠেকেছে। অতিরিক্ত টাকা দিয়েও সময়মতো পাওয়ার টিলার পাওয়া যাচ্ছে না; দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এছাড়া উপর বৃষ্টি না থাকায় দূরের শ্যাওলা (স্যালো) মেশিন থেকে দীর্ঘ পাইপলাইন টেনে জমিতে পানি নিতে গিয়ে সেচ খরচও অনেকটা বেড়ে গেছে।

​কৃষকরা ব্রি ধান-১০৩,ব্রি ধান-৮৭,ব্রি ধান-৭৪ জাতের চারা রোপণ করছেন,তবে ব্রি ধান-১০৩ দিকে কৃষকরা বেশি ঝুকছে, কারণ এই ধানের চাউল চিকন ও ভাত মিষ্টি সুন্দর লাগে খেতে কৃষকদের সাথে একান্ত আলাপ কালে এই তথ্য জানান।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরে লালপুরে ৯ হাজার ১৮৫ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার মধ্যে ইতোমধ্যে ৪ হাজার ১৩০ হেক্টর জমিতে রোপণ সম্পন্ন হয়েছে।​

এ বিষয়ে লালপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের সর্বোচ্চ পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং সময়মতো সেচ ও পরিচর্যা নিশ্চিত করা গেলে বোরোর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews