বুধবার সন্ধ্যায় ইলিশা লঞ্চঘাট থেকে ঢাকার সদরঘাটগামী দোয়েল পাখি-১০ লঞ্চটি যখন মুন্সিগঞ্জ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছায়, তখন লঞ্চের দ্বিতীয় তলায় শিশুটির মৃত্যু হয়।
জানা গেছে, আরিফা দৌলতখান উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের বাসিন্দা আরিফ ও রোজিনা দম্পতির একমাত্র সন্তান। হঠাৎ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হচ্ছিল।
শিশুটির মা জানান, চিকিৎসার আশায় রওনা দিলেও পথেই তার সন্তানের মৃত্যু হয়। এ সময় স্বজনদের আহাজারিতে পুরো লঞ্চে শোকের ছায়া নেমে আসে।
ঘটনার পর লঞ্চে থাকা যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের অভিযোগ, লঞ্চটিতে অসুস্থ রোগীদের জন্য কোনো অক্সিজেন সরবরাহ বা প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা না থাকায় হয়তোবা শিশুটির জীবন বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
এদিকে ভোলা ঢাকা রুটের কোন লঞ্চে প্রাথমিক চিকিৎসার কোন ধরনের ব্যবস্থা না থাকায় অধিকাংশ সময়ে লঞ্চে বহনকারী রোগীদেরকে পড়তে হয় নানা বিরম্ভনায়। তাছাড়া লঞ্চগুলো ৬-৭ ঘন্টার জার্নিতে যেকোনো লোক অসুস্থ হবে এটি স্বাভাবিক। তাতে করে লঞ্চগুলোতে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য যতটুকু ব্যবস্থা রাখার দরকার কোন লঞ্চেই তা দেখা যায় না। তাই লঞ্চগুলোতে নিরাপত্তার জন্য আনসারদের পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্স বা ব্রাদার এর সাথে অক্সিজেন সহ জরুরী সেবা নিশ্চিতের দাবি এ রুটে চলাচলকারী লাখ লাখ যাত্রীদের।