1. live@www.skynewsbd24.com : Sky NEWS BD24 : Sky NEWS BD24
  2. info@www.skynewsbd24.com : Sky NEWS BD24 :
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তজুমদ্দিনে বাড়ি যাওয়ার পথে যুবককে ধরে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা ভোলায় টে‌লি‌ভিশন জার্না‌লিস্ট ফোরাম’র মতবিনিময় সভা, ডিসেম্বরে নির্বাচন ১২ই নভেম্বরকে ‘উপকূল দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবীতে ভোলায় স্মরণসভা অনুষ্ঠিত ভোলার লালমোহনে অকালে ঝরে গেলো তিন শিশুর প্রাণ  ভোলায় এনআরবিসি ব্যাংকের আয়োজনে বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচিতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ঋণ বিতরণ ভোলায় কেককাটা ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে উদযাপিত কালবেলা’র তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী থ্যালাসেমিয়া রো‌গে আক্রান্ত দ‌রিদ্র ঈমনের চি‌কিৎসার দায়ীত্ব নিলেন ভোলার গণমাধ্যম কর্মীরা ভোলার দারুল হাদিস কামিল মাদরাসার শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে অ্যালামনাইদের আনুষ্ঠানিক রেজিষ্ট্রেশন উদ্বোধন রাজনৈতিক কোন্দল ও বিভিন্ন অপপ্রচারে চরম বিপাকে চরফ্যাশন উপজেলা প্রশাসন আজ বিজেপি নেতা খসরু মিয়ার চতুর্থ মৃত্যু বার্ষিকী

১২ই নভেম্বরকে ‘উপকূল দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবীতে ভোলায় স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ ভয়াল ১২ নভেম্বর। ১৯৭০ সালের এই দিনে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় গোর্কির ভোলা সহ বিভিন্ন জেলাকে লন্ড বন্ড করে দেয়। এতে করে কমপক্ষে ১০ লক্ষ মানুষ মৃত্যু হয়। তাই প্রতি বছরের এই দিনটিকে উপকূলীয়বাসী বিভিন্নভাবে স্মরণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় এই দিনটিকে ‘উপকূল দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবীতে ভোলায় স্মরণসভা, আলোচনা ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১২ নভেম্বর) সকালে ভোলা প্রেসক্লাবে উপকূল ফাউন্ডেশন, ব-দ¦ীপ ফোরাম, জাগরণ ফাউন্ডেশন, যুব রেড ক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ভোলা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীর।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক আজকের ভোলা সম্পাদক আলহাজ্ব মুহাম্মদ শওকাত হোসেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির সোপান, যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক, ভোলা সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসিফ আলতাফ, ভোলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ভোলা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক এড্যা. ড. আমিরুল ইসলাম বাছেত, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি জামিল হোসেন ওয়াদুদ।

ব-দ্বীপ ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী মীর মোশারেফ অমির সভাপতিত্বে এবং উপকূল ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন, সাবেক প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ আবু তাহের, দুদকের পিপি সাংবাদিক এড্যা. সাহাদাত শাহিন, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী স্কুলের প্রধান শিক্ষক জহিরুল ইসলাম, দৈনিক আজকের পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি শিমূল চৌধুরী, ক্যাব ভোলার সভাপতি মোঃ সোলাইমান, কবি ডা. মোঃ মহিউদ্দিন, উপকূল ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক এম শাহরিয়ার ঝিলন, ব-দ্বীপ ফোরামের সদস্য ইয়াছিন আরাফাত, উপকূল ফাউন্ডেশনের সমন্বয়ক এ্যাড. ইয়ামিন হোসেন, জাগরণ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সুমন, যুব রেডক্রিসেন্ট এর সদস্য মোঃ শান্ত প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
সভায় পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন যুব শক্তি ফাউন্ডেশনের সদস্য মোঃ শাকিব এবং ইসলামী সংগীত পরিচালনা করেন মোঃ আবদুর রহমান।

আলোচনা শেষে প্রেসক্লাবের সামনে থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সর্বস্তরের জনগণ অংশ নেন।


আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীর তাঁর বক্তব্যে ঘূর্ণিঝড় গোর্কির ভয়াবহতা তুলে ধরেন এবং এই দুর্যোগেক্ষ তিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “১৯৭০ সালের এই দিনে ঘূর্ণিঝড় গোর্কি আমাদের উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবনে এক চরম আঘাত হেনেছিল। আমরা সেই দিনের কথা ভুলিনি। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও এই ইতিহাস জানাতে হবে, যাতে তারা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় সচেতন হতে পারে।” সরকারের কাছে দিনটিকে স্মরণ করে ১২ই নভেম্বরকে উপকূল দিবস ঘোষণার আহ্বান জানাচ্ছি।

এসময় অন্যান্য বক্তারা বলেন, এই ভয়াল ঘূর্ণিঝড়ে দক্ষিণাঞ্চলের ১০ লাখেরও মানুষ মারা গেছে। হাজার হাজার ঘর-বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল। কোটি কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষিত হয়েছে। যা পৃথিবীর ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় হয়ে আছে। দিনটি স্মরণে ভোলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত আলোচনা সভা ও র‌্যালিতে ঘূর্ণিঝড়ে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করা হয় এবং ভবিষ্যতের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুতির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বক্তারা আরও বলেন, ১২ই নভেম্বরের তাৎপর্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা ও জনসাধারণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দেন। তাঁরা উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, আশ্রয় কেন্দ্র বৃদ্ধি এবং দুর্যোগ প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম জোরদার করার দাবি জানান।

বক্তারা আরও বলেন, ১৯৭০ সালের এই দিনে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় গোর্কির আঘাতে ল-ভ- হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল। প্রায় ৪ লাখেরও বেশি ঘর-বাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল এবং ৩৬ লাখেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। শুধু ভোলা জেলাতেই আনুমানিক ৫ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল। পুরো উপকূল এলাকায় প্রায় ১০ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। ঘটনার ৫৫ বছর পরেও সেই দুঃসহ স্মৃতি দক্ষিণ জনপদের মানুষের মন থেকে মুছে যায়নি।

১২ই নভেম্বরের রাতে ঘূর্ণিঝড় গোর্কির তা-বে ভোলা সদর, তজুমদ্দিন, দৌলতখান, মনপুরা, চর নিজাম, ঢালচর, কুকরি-মুকরিসহ বিস্তীর্ণ জনপদ মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছিল। স্থানীয়দের বর্ণনা অনুযায়ী, এমন কোনো গ্রাম ছিল না যেখানে কোনো না কোনো মানুষ মারা যায়নি। আশ্রয়কেন্দ্রের অভাবে অনেকে গাছে উঠে প্রাণ বাঁচিয়েছিল। ঘর-বাড়ি, ফসল ও প্রিয়জন হারিয়ে মানুষ শোকে পাথর হয়ে গিয়েছিল। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ভয়াবহতা এতটাই নির্মম ছিল যে, সেই দিনের কথা মনে পড়লে আজও ভোলাবাসীর বুক ভয়ে কেঁপে ওঠে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট