নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে উপজেলা প্রশাসনের হাতে অ্যাম্বুলেন্সটি হস্তান্তর করেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির অকুতোভয় যোদ্ধা ও ‘ইনকিলাব মঞ্চ’-এর মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির স্মরণে ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সটির নামকরণ করা হয় “শহীদ ওসমান হাদী ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স”।
এই ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে নদী ও সাগরবেষ্টিত দুর্গম এলাকায় রোগী পরিবহন, জরুরি চিকিৎসা সহায়তা প্রদান এবং দ্রুত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তরকালে নৌপরিবহন উপদেষ্টা শহীদ শরিফ ওসমান হাদির বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। একইসাথে উপদেষ্টা
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সব অপরাধীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কঠোর শাস্তি নিশ্চিতকল্পে বর্তমান সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ বলে জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা বলেন, শহীদ ওসমান হাদী ছিলেন অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে একজন আপসহীন ও সাহসী কণ্ঠস্বর। তাঁর আত্মত্যাগ ও আদর্শ মানবিক সমাজ গঠনে আমাদের অনুপ্রেরণা যোগায়। উপকূলীয় মানুষের জীবন রক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের মতো মানবিক উদ্যোগের সঙ্গে তাঁর নাম যুক্ত করতে পেরে আমরা গর্বিত।
তিনি আরও বলেন, সরকার উপকূলীয় ও দুর্গম অঞ্চলের জনগণের মৌলিক অধিকার, বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। নদী ও সাগরনির্ভর জনপদের বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সের মতো উদ্যোগ মানুষের জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোঃ জাহিদুল ইসলাম, ভোলা জেলা প্রশাসনের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) মোঃ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ বেলাল হোসেন, উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমাদুল হোসেন সহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।