এ সময় তার সাথে প্রায় ৭০ জন কর্মী জামায়াতে ইসলামী দলে যোগ দেন। তাদেরকেও একই ভাবে বরণ করে নেন জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ।
জামায়াতে ইসলামীর লালমোহন উপজেলার আমির মাওলানা আব্দুল হক জানান, মোখলেছুর রহমান আওয়ামী লীগের সময়কাল দল থেকে তেমন কোন সুযোগ-সুবিধা পাননি। উল্টো দলের বহু মানুষের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। একই ভাবে বিএনপিরও অনেক নির্যতনের শিকার হয়েছেন। দুই দলের নির্যাতনের শিকার হয়ে তিনি অনেক আগ থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেয়ার। কিন্তু দলের কিছু নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণে তাকে এক বছর দল পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। এক বছরে তার মধ্যে আশানরূপ পরিবর্তন হওয়ায় তাকে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহন করে নিয়েছি।
এব্যাপারে কৃষকলীগ সভাপতি মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, লালমোহন বাজারের তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। ছোট বেলা থেকে বিএনপির রাজনীতি করে আসছেন। বিএনপির উপজেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। যার জন্য তাকে ব্যবসায়িকভাবে অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। অসংখ্যবার আওয়ামীলীগের হামলা-মামলার শিকার হতে হয়েছে তাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালে ব্যবসায়িকভাবে এক প্রকার চাপ প্রয়োগ করে তাকে আওয়ামীলীগ যোগ দিতে বাধ্য করা হয়েছেন। সে সময় বিএনপির নেতাদের সঙ্গে কথা বলেই তিনি আওয়ামীলীগে গিয়েছেন। পরে তাকে ২০২৩ সালে কৃষক লীগের উপজেলা সভাপতি করা হয়। তবে তিনি ৬ মাসের মাথায় সে পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে দাবি করেন। আওয়ামীলীগের দলে থেকেও তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের হামলা-মামলা থেকে বাঁচিয়েছেন।
এমনকি ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে মাঠে সক্রিয়ভাবে থেকে আওয়ামী লীগ বিরোধী আন্দোলন করেছেন। কিন্তু ৫ আগস্টের পর বিএনপির লোকজন তাকে ব্যবসায়িকভাবে দুই কোটি টাকার ক্ষতি করেছে। এমনকি আওয়ামীলীগ ট্যাগ দিয়ে তার বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে। বিএনপি এক প্রকার তার সাথে বেইমানি করেছে বলে দাবি করেন তিনি। সংগত কারণে তিনি দল পরিবর্তন করে বাকি জীবনটা জামায়াতে ইসলামীতে থেকে আল্লাহর রাস্তায় কাজ করতে চান।