তার নির্বাচনী এলাকা ভোলার লালমোহন ও তজুমদ্দিনে তিনদিনের সরকারি সফর শেষে সোমবার সকাল ১১টায় ভোলা থেকে ঢাকায় রওনা দেওয়ার পূর্বে ভোলার সার্কিট হাউজে অবস্থান কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ব্রিকসের ব্যাপারে এখনো তারা (ভারত) আমাদেরকে খোলাখুলি ভাবে কিছু জানায়নি। আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক ভাবে একজন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইনভাইট করেনি। ভারতের ব্যাপারে বাংলাদেশের কিছু রিজার্ভেশন আছে। বিশেষ করে প্রতিত সরকারের প্রধানমন্ত্রীকে তারা আশ্রয় দিয়েছে। রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছে যেটা সব প্রতিবেশীর সুলভ আচরণ বলে মনে করিনা।
তিনি আরো বলেন,ভারতের সাথে আমাদের সুসম্পর্ক রাখা দরকার তবে তারা যে চায় এমন কোন কিছুই দেখা যাচ্ছে না। আমরা সমমর্যাদার সৎ প্রতিবেশী হিসেবে সম্পর্ক চাই।
গত আওয়ামী লীগ আমলে দুঃশাসনের ফলে প্রতিটি বিভাগে ধ্বস নেমেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উন্নতি ঘটাতে বর্তমান সরকারের সময় লাগবে। ৭মাস খুব অল্প সময়। তিনি আরো বলেন, সংস্কার পর্ব ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। আইন কাননে অনেক সংস্কার আনতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অনেক আলাপ আলোচনা চলছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কিছুটা অসুবিধা দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক দল গুলোর মধ্যে এখনো একমত হতে দেখা যায় নায় যে কিভাবে এটা করা। আমি আশা করি প্রধান বিরোধী দল বিএনপি এবং যার বিরোধী দলে আছে যদি একটা সমঝোতা আসে। তাহলে দুর্গ ১৬ /১৭ বছরের যে যন্ত্রনা এবং দুঃশাসন সেটা থেকে জনগণ মুক্তি পেতে পারে। জনগণ যা আশা করে তা এখন পর্যন্ত পাইনি।
আশা করি সংসদের আগামী অধিবেশনে সংস্কারের প্রস্তাবগুলো নিয়ে সরকারি দল এবং বিরোধী দল একমত হলে তাহলে দ্রুত যদি আমরা সংস্কার করতে পারি আইনি যেসব পরিবর্তন আনা দরকার সেগুলো যদি আনতে পারি তাহলে গত ১৬-১৭ বছরের যে দুঃশাসন সেখান থেকে জনগণ মুক্তি পাবে।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহবায়ক গোলাম নবী আলমগীর, জেলা প্রশাসক ডাক্তার শামীম রহমান, পুলিশ সুপার মোঃ শহিদুল ইসলাম কাওসারসহ রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।