এদের মধ্যে রয়েছে, উপজেলা কালমা ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী গ্রামের বাসিন্দা নূর ইসলামের মেয়ে মোহনা আক্তার (৫), একই গ্রামের বাসিন্দা মৃত শফিকুল ইসলামের মেয়ে নুসরাত (৫) এবং পাশের ইউনিয়ন চরভূতার রহিমপুর গ্রামের বাসিন্দা আকতার হোসেনের ছেলে মো. আলিফ (১)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে চরলক্ষ্মী এলাকায় প্রতিবেশী শিশু মোহনা ও নুসরাত বাড়ি থেকে একসঙ্গে খেলতে বের হয়। দীর্ঘ সময় তাদের পরিবার তাদেরকে না পেয়ে চারিদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে বিকেলের দিকে বাড়ির পাশের পুকুরে তাদের ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন।
এছাড়া দুপুরের দিকে উপজেলার চরভূতা ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামে খেলাধুলা করার সময় পরিবারের অগোচরে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায় শিশু আলিফ। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।
এই তিন শিশুর অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারগুলোতে চলছে শোকের মাতম।
শুধুমাত্র অভিভাবকদের অসচেতনতার কারণে প্রতিনিয়ত পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যুর ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলোর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।