বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভোলায় গ্রেপ্তারকৃত জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহম্মেদ শাহীন’র জামিন নামঞ্জুর দৌলতখানে জমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের উপর হামলায় ডিএমপি’র পুলিশ সদস্য নুর উদ্দিন আটক ভোলা সদর উপজেলার নবাগত নির্বাহী অফিসার সজল কুমার দাস’র সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা চরফ্যাশনে পরীক্ষাকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় ১০০ জনের বিরুদ্ধে দায়ের মামলা ভোলা শহরের কে জাহান মার্কেটের স্বত্বাধিকারী গোলাম মাসুদ খান লাবু ইন্তেকাল করেছেন। নকল করতে না দেয়ায় চরফ্যাশনে এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে হামলা-ভাঙচুর, আহত ১০ টানা বৃষ্টিতে ভোলার মনপুরায় জনজীবন বিপর্যস্ত, পানিবন্দি কয়েক হাজার মানুষ ভোলা সদর গার্লস স্কুলের শিক্ষার্থীদের মারপিট করার বিষয়টি নিয়ে অভিভাবক সমাজ খুবই ব্যথিত বোরহানউদ্দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় মটি পিকআপ’র হেলপার নিহত  পূর্বাচলে অনুষ্ঠিত হলো ‘ভোলা বিজনেস ফোরাম-৮৬’-এর প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভা

ছেলের হাতেই খুন হয়েছে বাবা, নিশ্চিত করলো পুলিশ

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৯৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ছেলে রেদোয়ানই তার বাবা মাওলানা আমিনুল হক নোমানীকে নৃশংস ভাবে হত্যা করেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পুলিশ। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে উপস্থিত সকল গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ভোলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল হক।

এর আগে শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা থেকে আটক করেন সন্তান বেদোয়ানকে। এরপর তার স্বীকারোক্তিতে বেরিয়ে আসে তার বাবাকে সে কিভাবে হত্যা করেছে তার চাঞ্চল্যকর তথ্য।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার শরিফুল হক বলেন, গত ৬ সেপ্টেম্বর (শনিবার) রাত ৯টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার উত্তর চর নোয়াবাদ এলাকায় নিজ বাড়িতে মাওলানা আমিনুল হক নোমানীকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকটি সংস্থা খুনিকে গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা করে আসছিল।

তিনি আরও বলেন, খুনিদের গ্রেপ্তার করতে না পারার কারণে আলেম-ওলামা ও সাধারণ জনগণের মধ্য ক্ষোভ তৈরি হয়। অবশেষে আমরা শুক্রবার খুনের মূল ঘটনা উদঘাটন করতে সম্ভব হই। এরপর নিহতের বড় ছেলে মো. রেদোয়ানকে গ্রেপ্তার করি।

পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, খুন হওয়া মাওলানা নোমানী খুব মেধাবী ছিলেন। তার ছেলে রেদোয়ানও অত্যন্ত মেধাবী। কিন্তু বাবা তার ছেলেকে খুব কড়া শাসন করতেন। এ থেকেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়। এ নিয়ে দুবার ছেলে আত্মহত্যা করতে চেয়েছেন এবং বাবাকে হত্যারও পরিকল্পনা করেন। বাবা-ছেলের এ কলহের কারণে ছেলে গত ২ মাস ধরে তজুমদ্দিন উপজেলায় তার মামা বাড়ি থাকতেন।

এসপি বলেন, গত ৫ সেপ্টেম্বর তার মা তার নানাবাড়ি বেড়াতে গেলে রেদওয়ান দারাজ থেকে অর্ডার দিয়ে একটি ধারালো চাকু নিয়ে আসে। সবশেষে ঘটনার দিন রেদওয়ান তজুমদ্দিন তার মামাবাড়ি থেকে ধারালো চাকুসহ ভোলায় নিজবাড়ির পেছনে এসে লুকিয়ে থাকেন। তার বাবা এশার নামাজ পড়ে বাসায় ফিরে কম্পিউটারে কাজ করছিলেন। এ সময় বাবাকে দরজা খুলতে বললে তিনি দরজা খুলে দেন। দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গেই চাকু দিয়ে তার বাবাকে আঘাত করে। মাওলানা নোমানীকে হত্যা করে ঘরের পেছন দিয়ে পালিয়ে যায় ছেলে।

শরিফুল হক বলেন, অবশেষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তিনটি গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তের পর হত্যার দায়ে নিজ ছেলে রেদোয়ানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews