বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলা প্রশাসন কৃতক পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে এই দণ্ড প্রদান করা হয়। বোরহানউদ্দিন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রনজিৎ চন্দ্র দাস ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫ ধারায় তাদের এই দণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— ড্রেজার সংশ্লিষ্ট বোরহানউদ্দিন উপজেলার জয়া এলাকার নূরনবী সরদারের ছেলে মো. মামুন (২০) ও কুতুবা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের রফিজল হাওলাদারের ছেলে মোঃ জাহাঙ্গীর (২৫)। তাদের প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বল্কহেড এর মালিক ভোলা সদর উপজেলার বাপ্তা এলাকার রশিদ হাওলাদারের ছেলে ইউনূস হাওলাদার (৫৫) কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আটককৃত দুটি লোর্ড ড্রেজারের পরিচালকরা হলেন, বোরহানউদ্দিন পৌর-১ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিল ফাইজুল ইসলাম ও কাচিয়া ইউনিয়নের মোঃ মফিজুল ইসলাম। তারা ড্রেজার মেশিন দিয়ে দির্ঘদিন যাবত তেতুলিয়া নদীর হাসের চর ও চরলতিফসহ একাধিক চরের কৃষি জমির মাটি ও বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছে। ফলে কৃষি জমি ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে হুমকির মুখে রয়েছে চরের হাজারো একর কৃষি জমি। এসব ড্রেজার মেশিন একাধিকবার আটক করে কয়েক লাখ টাকার জরিমানা করলেও ফের বালু ও কৃষি জমির মাটি কেটে নিচ্ছে বালু খেকোরা। দুপুরে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হলে বিকালে ফের বালু উত্তোলন শুরু করেছে এসব ড্রেজার মেশিনে।
এবিষয়ে বোরহানউদ্দিন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রনজিত চন্দ্র দাস জানান , নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।