সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মনপুরায় ক্ষুদ্র প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে সার, বীজ ও বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ ভোলায় কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, কৃষি উপকরণ ও বৃক্ষের চারা বিতরণ ভোলায় প্রায় ৩ লাখ শিশুকে খাওয়ানো হয়েছে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল, বাদ পড়েনি দুর্গম চরের শিশুরাও ভোলায় তিন দিনব্যাপী শুরু হওয়া ফলমেলায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়  ভোলায় ওজোপাডিকো’র শ্রমিকদের মানববন্ধন, দাবি আদায় না হলে কঠোর হুঁশিয়ারি ভোলায় ২ লাখ ৯৩ হাজার শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ’ প্লাস ক্যাপসুল লালমোহনে এগারো হাজারে বিক্রি হলো তিন কেজি ওজনের ‘রাজা ইলিশ’ লালমোহনে রাতের আধারে গৃহবধুকে কুপিয়ে জখম মনপুরায় বেড়িবাঁধের ওপর পাকা রাস্তা নির্মাণে উন্নয়ন টিমের পরিদর্শন স্বামীর জামিনের খবরে কোর্টেই বিষপানে স্ত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা

ভোলায় তিন দিনব্যাপী শুরু হওয়া ফলমেলায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় 

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

নাজমুন নাহারঃ দেশীয় ও মৌসুমি ফলের প্রতি মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধি এবং ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ভোলায় শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ফলমেলা। প্রথম দিনেই দেশীয় ও বিলুপ্ত হওয়া প্রায় পাঁচ শতাধিক ফলের সমাহারহ ঘটছে এ মেলায়। তাই মেলা জুড়ে বহুদূরান্ত থেকে ছুটে আসা নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের যেন উপচে পড়া ভিড়।

রোববার (২৮ জুন) বিকেলে ভোলা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় চত্বরে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এ ফলমেলার উদ্বোধন করা হয়। ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন করেন ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামিম রহমান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর, ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. খায়রুল আসলাম মল্লিক, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের পর অতিথিরা মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

মেলায় বিভিন্ন জাতের আম, কাঁঠাল, জাম, নারিকেল, পেয়ারা, লেবুসহ দেশীয় ও বিদেশি নানা ধরনের ফল প্রদর্শন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিলুপ্তপ্রায় বিভিন্ন ফলও স্থান পেয়েছে, যা দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করছে। কৃষক ও উদ্যোক্তারা তাঁদের উৎপাদিত ফল প্রদর্শনের পাশাপাশি বিক্রিও করছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, মেলার প্রতিটি স্টলে দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই ফলের বিভিন্ন জাত, পুষ্টিগুণ এবং চাষাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে আগ্রহ দেখান। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারাও উন্নত জাতের ফল উৎপাদন, পরিচর্যা ও সংরক্ষণ বিষয়ে আগতদের পরামর্শ দেন।

মেলায় আসা দর্শনার্থী সামিমুজ্জামান ও হাসনাইন বলেন, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে নতুন ও বিলুপ্তপ্রায় অনেক ফলের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।

স্টল মালিকদের ভাষ্য, প্রথম দিনেই প্রত্যাশার চেয়ে বেশি দর্শনার্থীর উপস্থিতি ছিল। এতে তারা উৎসাহিত হয়েছেন এবং আগামী দিনগুলোতে আরও বেশি মানুষের সমাগম হবে বলে আশা করছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews