সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভোলা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬২টি জিপিএ-৫, সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ৪৭টি জিপিএ-৫, জেলায় পাশের হার ৫৩.৭১ শতাংশ ভোলায় কোস্টগার্ডের অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক ভোলায় মিথ্যা অপবাদের বিচার দাবিতে মানববন্ধন বিক্ষোভ ভোলায় স্বৈরাচারমুক্ত দিবস উদযাপনে ছাত্র-জনতার আনন্দ মিছিল ভোলায় নৌযান শুমারি-২০২৬ উপলক্ষে অংশীজনদের অবহিতকরণ সেমিনার অনুষ্ঠিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংস্কারের দাবিতে ভোলায় জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত চরফ্যাশনে খাল পুঃনখনন শেষে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ১ কোটি ২ লাখ টাকা ফেরত দিলেন ইউএনও ভোলার চরফ্যাশনে পান থেকে চুন খসলেই চটে ওঠা মানুষটি চাঁদাবাজি মামলায় কারাগারে ভোলার বোরহানউদ্দিনে গাঁজা চাষে সফলতার হাতছানি ভোলার লালমোহনে বাস চাঁপায় প্রাণ হারালো শিশু মাইশা

চরফ্যাশনে সরকারি পাঠ্যবই বিক্রির ঘটনায় মাদ্রাসার সুপারকে শোকজ

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে

চরফ্যাশন প্রতিনিধিঃ ভোলার চরফ্যাশনে চর শশীভূষণ হোসাইনিয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রায় পাঁচ হাজার পিস সরকারি পাঠ্যবই বিক্রির অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির তত্ত্বাবধায়ক (সুপার) মাওলানা মো. ওমর ফারুককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস। নোটিশে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দাখিল করতে বলা হয়েছে। সোমবার (২৩ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চরফ্যাশন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল খায়ের।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকাল ৭টার দিকে বন্ধ থাকা চর শশীভূষণ হোসাইনিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে প্রায় পাঁচ হাজার পিস সরকারি পাঠ্যবই বিক্রি করেন। ওই বই গুলো ভাঙ্গারি দোকানির ক্রেতা নেওয়ার জন্য মাদরাসায় বইগুলো তার ভেনগাড়িতে তুলতেই বিষয়টি সন্দেহজনক মনে করে স্থানীয়রা বইগুলো আটক করেন। মহুর্তের মধ্যেই ওই সময় মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মো. ওমর ফারুক ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারের বরাদ্দ দেওয়া বিনা মূল্যের পাঠ্যবই বিক্রির উদ্দেশ্যেই সেগুলো সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল। পরে বিষয়টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়।

অভিযোগের বিষয়ে মাদ্রাসা সুপার মাওলানা মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘একটি শ্রেণিকক্ষ খালি করার প্রয়োজন হওয়ায় আমি ও প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা বইগুলো সরানোর প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। এগুলো ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের বই নয়। স্থানীয়রা ভুল বুঝে আপত্তি জানালে আমি সেখান থেকে চলে আসি।’

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল খায়ের বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসা সুপারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তার জবাব পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোমানা আফরোজ বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews