অপরাধ, আজ দেশজুড়ে

ভোলায় বিএনপি নেতা ও সাবেক এএসপির বিরুদ্ধে প্রবাসীর জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১০:২১ পূর্বাহ্ণ

শিমুল চৌধুরীঃ ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সভাপতি নূরে আলম পাটোয়ারী নামে এক বিএনপি নেতা ও তার ভাই সাবেক এএসপি আব্দুর রব গংদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে জমি দখলের চেষ্টা এবং জোরপূর্বক গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
নুরে আলম ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি। ভুক্তভোগী আবিদ হাছান সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাডগি গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসী আমলগীর হোসেনের ছেলে।

সংবাদ সম্মেলনে আবিদ হাছান লিখিত অভিযোগে বলেন, আমার বাবা একজন প্রবাসী ও রেমিট্যান্স যোদ্ধা।
বর্তমানে তিনি সৌদিআরবে বসবাস করছেন।
সেই সূযোগে প্রায় চার বছর আগে নুরে আলম পাটোয়ারী গং আমার বাবাকে মারধর করে এবং লোকজন নিয়ে আমাদের জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করেন। ওই ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ করি। কিন্তু পরে স্থানীয়ভাবে সালিশ-মিমাংসার চেষ্টা করা হলেও বিষয়টির কোন কার্যকর সমাধান হয়নি। উল্টো নুরে আলম তার রাজনৈতিক পরিচয় এবং তার ভাইয়ের প্রভাবক কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আসছে।
এরইমধ্যে গত ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার দিকে, আমাদের জমির এক লাখ টাকার গাছ কেটে নেওয়া হয়।এতে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

আমরা বাধা দিলে আমাদেরকে ভয়ভীতি দেখানো, গালিগালাজ এবং হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করেন তিনি। এরফলে তাদের জমি দখল করা হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন আবিদ হাছান। তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

আবিদের দাবি ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব চর ইলিশা মৌজায় জে.এল নং-৪১, বি.এস খতিয়ান নং- ৮০৮৯, দাগ নং-৩০৭৮, ৩০৮৯, ৩০৯০, ৩০৯২, ৩০৯৩, ৩০৯৪, ৩১০০ ও ৩১৫৬ দাদার কেনা ৫৮.২৫ শতাংশ সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।
সংবাদ সম্মেলনে আবিদ হাছানের মা নুর নাহার ও তার দাদা মুকবুল সরদার উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে বিএনপি নেতা নুরে আলম পাটোয়ারী বলেন, এসব আমাদের বাবার পৈত্রিক সম্পত্তি। বাবার নামে রেকর্ডিয় সম্পত্তি। এ ছাড়া আলমগীর হোসেনের ফুফু মির জাহানের কাছ থেকে আমার বড় ভাই আব্দুর রব ৭২ শতাংশ জমি খরিদ করেছেন। এরপর সেই জমি আমরা ভোগ করেছিলাম। তবে জমি দখলে কম ছিল। এ বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে ফয়সালা হয়েছে বলেও দাবি নুরে আলমের।